Showing posts with label Pachok (পাচক). Show all posts
Showing posts with label Pachok (পাচক). Show all posts

Thursday, September 15, 2022

পাচক খাঁটি সরিষার তেলের উপকারিতা

পাচক খাঁটি সরিষার তেলের উপকারিতা

 সরিষার তেল হার্ট, হাড়, হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর। এতে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যারা পেটের বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন তারা প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এই তেল হজমশক্তি বাড়ায়।


চুল ও ত্বকে সরিষার তেল ব্যবহারে যত উপকার

চুল ও ত্বকে সরিষার তেল ব্যবহারে যত উপকার

 সরিষার তেল ত্বক ও চুলের যত্নে খুবই উপকারী। আপনি নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। মাথার তালুতে সরিষার তেল ম্যাসাজ করলে অনেক উপকার পাবেন।

চুলে সরিষার তেল ব্যবহারের উপকারিতা সমুহ:

১. চুলে নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সরিষার তেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম মিনারেল এবং ভিটামিন এ ডি ই ও কে। এ ছাড়া থাকে জিংক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম, যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

২. প্রাকৃতিক কন্ডিশনার সরিষার তেলে আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল রাখে। এ ছাড়া আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কন্ডিশনারের কাজ করে। ফলে চুল দ্রুত বাড়ে।

৩. রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষার তেল মালিশ করুন। ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। এ ছাড়া চুল সুন্দর, বড়, মজবুত ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল করতে সরিষার তেল অত্যন্ত উপকারী।

ত্বকে সরিষার তেল ব্যবহারের উপকারিতা সমুহ:

মুখে সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করলে ত্বকে অনেক উপকার মেলে। সরিষার তেল দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে মুখের দাগ দূর হবে।

ফেসপ্যাক তৈরির পদ্ধতি

২ চামচ সরিষার তেল, ১ চামচ বেসন, ১ চামচ দই এবং আধা চামচ লেবুর রস নিন। একটি বাটিতে সরিষার তেল, দই, বেসন ও লেবুর রস একসঙ্গে ভালোভাবে মিশ্রিত করে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এর পর মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
সরিষার তেলের ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে ত্বকের ডার্ক স্পট কমার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়।



Tuesday, August 16, 2022

সয়াবিন তেল নাকি সরিষার তেল কোনটি ভালো

সয়াবিন তেল নাকি সরিষার তেল কোনটি ভালো

 আমাদের দেশে রান্নার কাজে এক সময় সরিষার তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হতো। এখন সেই স্থান দখল করে নিয়েছে সয়াবিন তেল। এর বাইরে সূর্যমুখী তেল বা অলিভ অয়েলের ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু এগুলো উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে- কোন তেল ব্যবহারে উপকার বেশি বা পুষ্টি বেশি পাওয়া যায়? এ বিষয়ে জানতে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চীফ কনসালটেন্ট, পুষ্টিবিদ সামিরা খালেক সুকৃতির সঙ্গে কথা হয় রাইজিংবিডির। 

ডা. সামিরা বলেন, ‘আমাদের দেশে যত ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সরিষার তেল। সয়াবিন তেলে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলসহ বিভিন্ন কিছু মেশায়। অধিক মুনাফার জন্য তারা এ কাজ করে। কিন্তু সরিষার তেলে সে সুযোগ নেই। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু মেশালে ভালোভাবে মিক্সড হয় না। এ কারণে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো। সানফ্লাওয়ার অয়েলের সঙ্গেও অন্য তেল মেশানো যায়।’

ক্যাস্টর অয়েল নিয়মিত খাওয়ার জন্য উপকারী নয় উল্লেখ করে এই পুষ্টিবিদ বলেন, রান্নায় নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সানফ্লাওয়ার অয়েল ভালো, যদি সেটি খাঁটি হয়।  

ক্যালরির বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সামিরা বলেন, ‘ক্যালরির দিক থেকে মোটামুটি সব তেল প্রায় সমান। তেল যেহেতু ফ্যাটের অধীন, এক গ্রাম ফ্যাট থেকে ৯ ক্যালরি পাওয়া যায়। ফলে তেলের ক্ষেত্রে ক্যালরির ডিসটেন্স কিন্তু বেশি হচ্ছে না। আমাদের দেহে দুই ধরনের ফ্যাট রয়েছে- স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এখন সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো, অলিভ অয়েল আরো ভালো। কিন্তু তেল ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। অনেকে মনে করেন, অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে বেশি পুষ্টি হবে। কিন্তু যখন আপনি অলিভ অয়েল বেশি তাপে রান্না করবেন গুণগত মান নষ্ট হবে। অলিভ অয়েল দিয়ে আপনি হালকা ডিম ভাজতে পারেন কিন্তু খুব বেশি তাপে রান্না করলে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ পাবেন না।’

আমাদের দেশে তেল-মসলা বেশি খাওয়া হয়। এ জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। চাইলে সরিষাবাটা তেল দিয়েও রান্না করা যায়। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। জানান এই পুষ্টিবিদ। 


সরিষার তেল কি সয়াবিনের বিকল্প হতে পারবে

সরিষার তেল কি সয়াবিনের বিকল্প হতে পারবে

 প্রতি বছর দেশে গড়ে ২ লাখ টন সরিষার তেল উৎপন্ন হয়। বিপরীতে বছরজুড়ে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২০ লাখ টন। এ মুহূর্তে দেশের সবাই যদি সয়াবিন তেল সরিয়ে রেখে শুধু সরিষার তেল দিয়ে রান্না শুরু করেন, তাহলে উৎপাদিত সরিষা তেল দিয়ে মাত্র ৩৭ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।  

দেশে যত সরিষা উৎপাদিত হয়, তার পুরোটাই তেল হয়ে বাজারে আসে না। বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ক্রপস উইং শাখার তথ্য অনুযায়ী, বছরওয়ারি ফলন যাই হোক, বীজ সংরক্ষণসহ সরিষার অন্যান্য ব্যবহার বাদ দিয়ে প্রতি বছর গড়ে ৫ লাখ টন সরিষা ব্যবহার হয় তেল উৎপাদনে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের তথ্য বলছে, সরিষা বীজে সাধারণত ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত তেল থাকে। এ হিসাবে এক কেজি সরিষা থেকে পাওয়া যায় ৪০০ গ্রাম তেল। ৪০ কেজি বা এক মণ সরিষা থেকে তেল মেলে ১৬ কেজি।

অর্থাৎ প্রতি বছর ৫ লাখ টন সরিষা থেকে গড়ে ২ লাখ টন তেল পাওয়া যায়। বিপরীতে সারা বছর দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২০ লাখ টন।

ঘাটতি পূরণে সয়াবিনের বিকল্প হিসেবে ভোক্তারা যদি তাদের রান্নার পুরো চাহিদা সরিষা তেল দিয়ে মেটাতে চায়, তাহলে এখন উৎপাদিত সরিষা তেল দিয়ে মাত্র ৩৭ দিনের চাহিদা মিটতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭৩৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। হেক্টরে ১.৩৬ টন গড় ফলন হিসাবে ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪১ টন সরিষা উৎপন্ন হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বিশ্বে যত তেল ব্যবহার হয়, তার ৬০ শতাংশের জোগান দেয় সয়াবিন, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি করোনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে এখন সয়াবিনের সরবরাহে মারাত্মক টান পড়েছে।

দেশে দৈনিক ভোজ্যতেলের চাহিদা ৫ হাজার ৪৭৯ টন। এর ৯০ শতাংশের জোগান আসে আমদানীকৃত সয়াবিন থেকে। বাকিটা সরিষা, সানফ্লাওয়ার অয়েল, রাইস ব্র্যান অয়েলসহ অন্যান্য উৎস থেকে আসে। এই বিকল্পগুলো থেকে সম্মিলিতভাবে বছরজুড়ে তেল পাওয়া যায় মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজার টন।

কয়েক দশক আগেও দেশে সরিষার তেল ছিল রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ভোজ্যতেল। এরপর ধীরে ধীরে সেই রান্নাঘরে দখল নেয় সয়াবিন তেল।

মূলত বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজারনীতি এবং সরিষার তেলের তুলনায় দাম কম হওয়ার কারণে দেশের ৯৫ ভাগ ক্রেতা এখন সয়াবিন তেলের ভোক্তা হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে দাম বেশি হওয়ায় সরিষা তেল পরিণত হয়েছে শৌখিন পণ্যে।

কয়েক মাস ধরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারে সয়াবিনের দাম চড়ছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে সরবরাহে ঘাটতি। পরিস্থিতির এতটাই অবনতি ঘটেছে যে, বাড়তি দাম দিয়েও ধারে-কাছে মিলছে না সয়াবিন। এর বিপরীতে পরিমাণে কম হলেও দেশের সর্বত্র মিলছে সরিষার তেল। আবার কাঠের ঘানি বা মেশিনে ভাঙা সরিষার তেল খোলা বিক্রির পাশাপাশি করপোরেট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমেও সারা দেশে বাজারজাত হচ্ছে। সুবিধামতো মিলছে ১০০ গ্রাম, ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, ১ লিটার ও পাঁচ লিটারের বোতলেও।

এ অবস্থায় অনেক ভোক্তা বিকল্প হিসেবে আবারও সরিষার তেলে ফেরার কথা ভাবছেন, কিন্তু সয়াবিনের তাপ এসে লেগেছে সরিষার তেলের বাজারেও। সেখানেও দামে ঊর্ধ্বগতি। একসঙ্গে অনেক ক্রেতা এই তেল কিনতে শুরু করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজারে ছাড়া আগের সব স্টক ইতোমধ্যে ফুরিয়ে এসেছে। তাদের ঘন ঘন ছাড়তে হচ্ছে নতুন স্টক। আগে কোম্পানিভেদে প্রতি লিটার বোতলজাত সরিষার তেলের দাম রাখা হতো ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা। এখন নতুন মূল্য উঠেছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা।

শুধু বড় কোম্পানিই নয়, দাম বেড়েছে স্থানীয়ভাবে ঘানিতে ভাঙা সরিষার তেলেরও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে সয়াবিনের অস্থিরতা তৈরির আগে প্রতি লিটার খোলা সরিষার তেলের দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। রোজার আগে এ দাম বেড়ে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় গড়ায়।

ঘানি ভাঙা তেল রোজার আগে ছিল ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা পর্যন্ত। এখন সয়াবিনের মারাত্মক ঘাটতিতে প্রচণ্ড রকম চাপ পড়েছে সব ধরনের সরিষার তেলের ওপর। এতে করে আরেক দফা দাম বাড়ে ঘানিতে ভাঙা সরিষারও। বর্তমানে এই তেল স্থানভেদে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দেশে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থির হওয়ার আগে তারা দোকানে সরিষার তেল রাখতেন শৌখিন পণ্য হিসেবে। সাধারণত আচার, চাটনি তৈরিতে এর ব্যবহার হতো। এ ছাড়া ভর্তা খাওয়া বা মুড়ি মাখার জন্য আগ্রহী ক্রেতাই শুধু সরিষার তেল কিনতেন। ফলে সরিষার তেল উৎপাদন এবং সরবরাহ খুব কম হতো।

তারা বলছেন, যেটুকু সরবরাহ থাকত, বাজারে তার স্টক শেষ হতে সপ্তাহ থেকে মাস লেগে যেত। এখন ক্রেতারা আসছেন, সরিষার তেল চাচ্ছেন, কিন্তু স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় কিনতে পারছেন না। অনেকে এখন ঘানিতে ভাঙা তেলের খোঁজ করছেন। বাড়তি চাহিদার কারণে কৃষক পর্যায়েও বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে সরিষার দাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতেও প্রতি মণ সরিষার দাম ছিল মানভেদে ২ হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন সেই সরিষা বাজারে বা কৃষক পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়।

মূলত সরিষার দাম বাড়ায় তেলের দামও বেড়েছে। আবার সরিষা কিনে মিলাররাও তেল বিক্রিতে বাড়তি মুনাফা করার চেষ্টা করছেন। এ কারণেও সরিষার তেলের দাম বেড়েছে।

বাজারে বর্তমানে রাঁধুনি, তীর, ফ্রেশ, সুরেশ, পুষ্টি, রূপচাঁদা ছাড়াও কমপক্ষে ২০টিরও বেশি ব্র্যান্ড ও নন ব্র্যান্ডের সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে তীর ব্র্যান্ডের সরিষা তেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পরিচালক (অর্থ) বিশ্বজিৎ সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি খুব সিম্পল। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক।

‘তেলের কাঁচামাল হলো বীজ, কিন্তু এবার বাড়তি চাহিদার কারণে সরিষার বীজের দামও বেড়েছে। সরিষা কেনায় বেশি খরচ পড়ায় দামও বাড়াতে হয়েছে।’

সরিষা চাষ বাড়ানো সম্ভব?

সরিষা দেশের সর্বত্র চাষ হলেও ঢাকা, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, ফরিদপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, বরিশাল, যশোর, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, পাবনা, রাজশাহী ও রংপুর জেলায় এটি বেশি চাষ হয়।

দেশের তেলবীজ আবাদি জমির প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকায় সরিষা চাষ করা হয়। এরপরও ২০১৯ সালে প্রায় দশমিক ৪৬ লাখ টন সরিষা আমদানি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, এ ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমাতে সরিষা আবাদের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ জন্য এখনই প্রয়োজন তেল ফসলের চাষাবাদ বৃদ্ধি করে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়া।

বিনার উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের উপপ্রকল্প সমন্বয়ক ড. রেজা মোহাম্মদ ইমনের দাবি, দেশের ২২ লাখ হেক্টর পতিত (দুই ফসলের মাঝের) জমিতে যদি বিনাসরিষা-৪ ও বিনাসরিষা-৯ আবাদ করা যায়, তাহলে বছরে ১৭ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

তিনি আরও মনে করেন, প্রতি বছর ৩ দশমিক ৫ লাখ টন উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলে ২০৩০ সালে মোট সরিষা উৎপাদন হবে প্রায় ৪৬ দশমিক ৬৩ লাখ টন, যা থেকে প্রায় ১৬ দশমিক ৩২ লাখ টন তেল পাওয়া সম্ভব। এতে ১৭ হাজার কোটি টাকার যে তেল আমদানি করতে হয়, তা আর আমদানি করতে হবে না। এ জন্য অবশ্যই দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করতে হবে বিনাসরিষার মাধ্যমে।


সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা

সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা

 ওজন কমাতে  আমরা খাবারের দিকে গুরুত্ব দিলেও কোন তেল দিয়ে রান্না করা হচ্ছে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায় অনেক সময়। আমরা যে তেলে রান্না করি তাতে স্যাচুরেটেড এবং আনস্যাচুরেটেড, দু ধরনের ফ্যাট থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের শরীরের জন্য খারাপ হলেও, আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু শরীরের উপকার করে। সেই হিসেবে শরীরের ভালোর জন্য সরিষা তেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরিষার তেলের বদলে রিফাইন্ড ভেজেটেবল অয়েল ব্যবহার করেন অনেকই। কিন্তু বাঙালির রান্নাঘরে সরিষা তেলের ঝাঁঝই মানানসই। শুধু তাই না পুষ্টিবিদরাও সরিষার তেলের গুণের কথা বলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘানি থেকে আনা সরিষার তেল স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্যে খুবই ভালো।

বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হল করোনারি হার্ট ডিজিজ । আর রান্নার তেলের কারণে এই হার্টের রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়ে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত যা কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

যেভাবে সরিষার তেল ওজন কমায়?

সরিষার তেলের রান্না হার্ট, হাড়, হজম এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এতে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই তেল ডিপ ফ্রাই, খাবার গরম এবং খাবারে অনন্য স্বাদ আনতে কার্যকর। যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করা উচিত। এই তেল হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর দ্রুত খাবার হজম হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ফ্যাটের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে সরিষার তেল

সরিষার তেলের কড়া ঝাঁঝের জন্য আজকাল অনেকে ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু এতে আছে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড কেবল খাবারের স্বাদই উন্নত করে না, রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে।

সরিষার তেলের উপকারিতা

১. সরিষার তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

২.এ ছাড়া এটি ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

৩.সরিষা তেলের ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্যোর কারণে তা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

৪. সরিষা তেল জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৫.ত্বকের যত্নেও সরিষা তেল অতুলনীয়।

যেকোন ধরণের রান্নায় আস্তে আস্তে সরিষা তেল ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।  তবে ভাজা জাতীয় খাবারে সরিষার তেল এড়িয়ে চলা উচিত।


কেন খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করবেন?

কেন খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করবেন?

 

বাঙালির রান্নায় সরিষার তেল না থাকলে যেন জমে না। মাছ ভাজা, নানা রকম ভর্তা, মুড়ি মাখা, আচারের মতো মুখরোচক খাবারে সরিষার তেল যোগ করে আলাদা স্বাদ। ভাপ দিয়ে রাঁধতে হয়—এমন পদেও এই তেলের জুড়ি নেই। সরিষার তেল হার্টকে ভালো রাখে। ক্ষতিকর কোলেস্টরল কমায়। নানা রকম গুণ আছে সরিষার তেলের।


গতকাল শনিবার ভারতের অন্যতম প্রধান দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে সরিষার তেলের গুণাগুণের এমন বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

ভারতের নামী পুষ্টিবিদ সন্ধ্যা গুগনানি বলেন, সরিষার তেল নিয়ে একটা কথা চালু আছে যে এতে ইউরিক অ্যাসিড থাকায় এটা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপে গ্রহণ নিষিদ্ধ। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মানুষের ওপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বরং অন্য সব তেলের তুলনায় অন্যতম স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে বিবেচনা করা হয় একে। অন্যান্য তেলের তুলনায় এতে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। জেনে নিন খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।

১. এর আছে ঝাঁজালো অনন্য স্বাদ। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওডিশা, আসাম ও নেপালে ঐতিহ্যগত রান্নার তেল হিসেবে সরিষার তেলের ব্যবহার রয়েছে।

২. এক চা-চামচ সরিষার তেলে আছে ১২৬ ক্যালরি।

৩. সরিষার তেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ। ত্বকের ওপর এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন দূর হয়। এরা ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করে।

৪. পোকামাকড় সরিষার তেল সহ্য করতে পারে না। এই তেল ব্যবহার করে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৫. সরিষার তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড (অলিক ও লিনোলিক অ্যাসিড) চুল পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। নিয়মিত
সরিষার তেল ব্যবহারে চুল পড়া কমে।

৬. সরিষার তেল শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের ঘাম বের হওয়ার গ্রন্থিগুলো পরিষ্কার ও সচল রাখে। ফলে শরীরের বর্জ্য পদার্থগুলো বের হয়ে যায়।

৭. এটি উষ্ণ তেল হিসেবে শীতের সময় শরীরে ম্যাসাজ করা যায়।

৮. এর উষ্ণতার গুণের কারণে আয়ুর্বেদশাস্ত্রে একে কফ ও কাশি প্রতিরোধক হিসেবে বলা হয়েছে।

৯. বাতের ব্যথা দূর করতে সরিষার তেলের ব্যবহার দেখা যায়।

১০. দাঁতের মাড়ির বিভিন্ন রোগ দূর করতে লবণ ও সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়।

১১. ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস ও স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ভোজ্যতেলের মধ্যে চর্বির তুলনা করে দেখেছেন, সরিষার তেলের ব্যবহারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। গবেষকেরা অলিভ অয়েল, ক্যানোলা ও সূর্যমুখী তেলের মধ্যে তুলনা করেছিলেন। প্রিভেনটিভ কার্ডিওলজি সাময়িকীতে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয় গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।

১২. সরিষার তেল আর হলুদ ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয় এবং শুষ্ক চামড়া ঝরে পড়ে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।


চুলে সরিষার তেল ব্যবহারে যেসব ভুল করা যাবে না

চুলে সরিষার তেল ব্যবহারে যেসব ভুল করা যাবে না

 উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চুলে সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। এ তেল ব্যবহারে রয়েছে অনেক উপকার। তবে সঠিক নিয়মে এ তেল ব্যবহার করতে হবে।

চুলের যত্নে সরিষার তেল প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে চুলে জট পড়া রুক্ষ চুলের রাশিকে নরম ও মোলায়েম করে তোলে এই তেল। ডিপ কন্ডিশনিং করে বলে সরিষার তেলের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চুল হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও নরম। ছবি: সংগৃহীত

ডগাচেরা চুল ও খুসকির সমস্যাও দূর করে সরিষার তেল। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের জন্য সরিষার তেলের ফলে খুসকিও কমে যায়। ছবি: সংগৃহীত

এতো উপকারিতা সত্ত্বেও ও সরিষার তেলই চুলের জন্য চরম অপকারী হয়ে উঠতে পারে। ঠিকমতো ব্যবহার না করা হলে সরিষার তেলই চুলের জন্য হিতে বিপরীত হয়ে উঠতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

সরিষার তেল ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। তাহলে বুঝতে পারবেন সরিষার তেল থেকে আপনার ত্বকে কোনো সংক্রমণ হতে পারে কিনা। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে তবেই চুলে সরিষার তেল দিন। ছবি: সংগৃহীত

অয়েলি স্ক্যাল্প বা তেলতেলে মাথায় সর্ষের তেল একদমই দেবেন না। তাহলে ত্বকের পোরস আটকে গিয়ে চুলের হাইড্রেশন কমে যেতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

নেকেই রাতভর তেল মেখে থাকেন। সরিষার তেল সারারাত দিয়ে রাখবেন না। এতে স্ক্যাল্প খুব চিটচিটে হয়ে পড়বে। শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প ভালো পরিষ্কার হবে না। তাই গোসলের আধঘণ্টা আগে চুলে সরিষার তেল মাখলেই যথেষ্ট। ছবি: সংগৃহীত

সরিষার তেল সবসময় গরম করে চুলে দিন। গরম করলে সরিষার তেল অনেক পাতলা ও হালকা হয়ে যায়। ফলে চুল সহজেই সরিষার তেল শোষণ করে নেয় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি লাভ করে। ছবি: সংগৃহীত


Sunday, June 26, 2022

মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিমিটেড সাব সিডিউর বিজনেস হিসেবে পাচক সরিষার তৈল উৎপাদন করতে যাচ্ছে যাহার দরুন এর ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সল্প পরিসরে কিছু বিনিয়োগ প্রয়োজন।

সম্পুর্ন ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ব্যবসার লভ্যাংশ শেয়ার করা হবে। যা লাখ প্রতি অনুমানিক ২ থেকে ৫ হাজার হতে পারে।।অথবা অত্র এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিঃ এর শেয়ার কিনে কোম্পানীর অংশীদার হতে পারেন।
আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কে বিস্তারিত আলোচনা এবং তথ্যের জন্য আমাদের পেজে নক করতে পারেন অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কথা বলতে পারেন -
অফিস ঠিকানা: সেলিম আহমেদ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স মার্কেট, কামরাঙ্গাচালা, মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

প্রধান কার্যালয়ঃ বাড়ী#২৮৬, লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর-১৭৪৬ www.facebook.com/pachok.spices


Friday, June 24, 2022

উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমাতে পারে সরিষার তেল

উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমাতে পারে সরিষার তেল

 শরীরের উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমিয়ে দিতে পারে সরিষার তেল। এর ব্যবহারে কার্ডিওভাস্কোলার রোগগুলোও কমে যেতে পারে। কারণ এ তেলে রয়েছে মনোআনস্যাচুরেটেড (একক অসম্পৃক্ত) ফ্যাটি এসিড। বাংলাদেশে হাজার বছর থেকে সরিষার তেল ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল। দেশের সত্তর ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা এখনো বলেন, তাদের ছেলেবেলায় ভোজ্যতেল হিসেবে সরিষার তেল খাওয়া ছাড়াও নানা ধরনের ওষুধে সরিষার তেল ব্যবহার হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর হঠাৎ করে সরিষার ব্যবহার কমে যায়। চলতি শতকের শুরু থেকেই বাংলাদেশে যে হারে হৃদরোগী ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী বেড়েছে আগে এত বেশি মানুষের এ রকম রোগ হতো না।

গবেষণা রিপোর্টে দেখা যায়, সরিষার তেলে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬৫ থেকে ৭২ শতাংশ এবং সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬ থেকে ১০ শতাংশ। এ তেলে আরো কিছু অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যেগুলোর পরিমাণ বাংলাদেশে এখন বহুল ব্যবহৃত সয়াবিন তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড বা অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অনেক কম। ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিরা এখন বলছেন, অসত্য কিছু প্রচারণার কারণে বাংলাদেশে সরিষার তেলের উৎপাদনে ধস নামে এবং তেলের চাহিদা মেটানোর জন্য আমদানি হতে থাকে সয়াবিন তেল। ফলে বাংলাদেশে কার্ডিওলজির রোগী বাড়তে থাকে। ৮০ ও ৯০-এর দশকেও বাংলাদেশে হাতেগোনা কয়েকজন কার্ডিওলজিস্ট ছিলেন। এখন সময়ের ব্যবধানে শত শত কার্ডিওলজিস্ট বেড়েছে। কারণ কার্ডিওলজির রোগী বেড়েছে কয়েক গুণ। একবার কেউ কার্ডিওলজি সমস্যায় ভুগলে তা থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া যায় না; সারাজীবনই ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যেতে হয় বেঁচে থাকতে।
গবেষণা জার্নাল থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সয়াবিন তেলে সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ২২ থেকে ২৩ শতাংশ। ফলে সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল অনেক স্বাস্থ্যকর। কারণ এতে কেমিক্যাল প্রসেস করতে হয় না, যা সয়াবিনে অবশ্যম্ভাবী। আগেতো কাঠের ঘানিতে সরিষার তেল ভাঙ্গানো হতো। এখন মেশিনের সাহায্যে ভাঙ্গায় কিন্তু এতে কোনো ধরনের রাসায়নিক প্রসেস করতে হয় না। তবে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার লোভে বাজারের সস্তা পামঅয়েল অথবা মেশিন অয়েল ব্যবহার করে সরিষার তেলের পরিমাণ বাড়ায় এবং এতে গন্ধ যোগ করার জন্য কেমিক্যাল মেশানো হয়। এ ধরনের সরিষার তেল স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর।
অপর দিকে সয়াবিন তেলে থাকা দুর্গন্ধ দূর করার জন্য অবশ্যই কমিক্যাল প্রসেস করতে হয়। অর্গানিক সয়াবিন তেল বাজারে প্রাপ্ত তেলের মতো পাতলা নয়, ভারী। সয়াবিন বীজ থেকে প্রাপ্ত এই ভারী তেলকে কেমিক্যাল মিশিয়ে পাতলা ও দুর্গন্ধ মুক্ত করতে হয়। সেই কেমিক্যাল থেকেই সয়াবিনের ক্ষতিকর দিক চলে আসে। আর সেই সয়াবিনকে সোনালি রঙ দিতে আরো কিছু কেমিক্যাল যোগ করতে হয়।
তেলের এ বিষয়টি নিয়ে নয়া দিগন্তের সাথে কথা বলেছেন বারডেমের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া। তিনি বলেন, সরিষার তেলে অন্যান্য তেলের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি ভালো ফ্যাট রয়েছে, যা হার্টের জন্য খুবই ভালো। অন্য দিকে সরিষার তেলের তাপ গ্রহণের ক্ষমতা বেশি। ফলে সরিষার তেলে অন্যান্য তেলের চেয়ে ট্রান্সফ্যাট কম হয়ে থাকে (ট্রান্সফ্যাট হার্টের বা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ এবং খুব সহজেই হার্টের ভেতর চর্বি জমিয়ে দেয়, যা সহজে গলে না এবং বেশি জমলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে)। অপর দিকে সরিষার তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে বলে তা হার্টের জন্য ভালো। শামসুন নাহার মহুয়া আরো বলেন, সবচেয়ে ভালো হয় ঘানিতে ভাঙ্গানো সরিষার তেল। এতে কোনো কেমিক্যাল মেশানো হয় না।
সরিষার তেল খেলে রিউম্যাটিক ফিভার হয়ে থাকে এমন একটি প্রচারণা রয়েছে। সে সম্বন্ধে মতামত জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া বলেন, আমিও শুনেছি, তবে এ পর্যন্ত কোনো গবেষণায় এসব পাইনি। তিনি বলেন, কেমিক্যাল প্রসেস না হলে সব ধরনের তেলই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ এটা চর্বি হয়ে না যায়। চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বাংলাদেশে আগে সরিষার তেলের পাশাপাশি গরুর দুধ থেকে কিছু ঘি উৎপাদন হতো। বহু জাতিক কোম্পানিগুলো গরুর তৈরি ঘির বাজারটি ধ্বংস করার জন্য চালানো নানা ধরনের প্রচারণায় সে বাজারটিও ধ্বংসের পথে। এর পরিবর্তে বাটারঅয়েল আমদানি করা হয়েছে এবং বাটারঅয়েলের চমৎকার বিজ্ঞাপনে মুগ্ধ হয়ে মানুষ সেটি ব্যবহারে আকৃষ্ট হচ্ছে।
বাংলাদেশ জার্নাল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের ‘স্টাডিজ অব ফ্যাটি এসিড কম্পোজিশন অব এডিবল অয়েল’ শীর্ষক গবেষণায় কে চৌধুরী, এল এ বানু, এস খান, এ লতিফের যৌথ গবেষণায় সরিষার তেলে মনো অ্যান্ড পলিআনস্যাচুরেেেটড ফ্যাটি এসিড রয়েছে ৮৬.৮০ শতাংশ। সূর্যমুখী তেলে রয়েছে ৯১.৪৯ শতাংশ। ভারতের জিবি প্যান্ট ইউনিভার্সিটি অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির হিনা ধাইনিক, এইচ পুনেথা, ওম প্রকাশের যৌথ গবেষণায় দেখানো হয়েছে, সরিষার তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬০ থেকে ৬১ শতাংশ পাওয়া গেছে।

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল সর্ষের বীজ নিষ্পেষণ দ্বারা প্রস্তুত তেল। এই তেল রান্নার জন্যে, এবং গায়ে মাখা বা মালিশ করার কাজে ব্যবহার হয়। সর্ষের তেলের ঝাঁঝের জন্যে সর্ষের তেলের রান্নার আলাদা বিশেষত্ব আছে।

সর্ষের তেলের ঝাঁঝের কারণ অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট নামক একটি উদ্বায়ী সালফারযুক্ত যৌগ। সর্ষের তেল যদি পানির সংস্পর্শে না আসে তাহলে কিন্তু তাতে ঝাঝঁ হয় না। তাজা সর্ষের তেলে অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট থাকে না, থাকে সিংগ্রিন নামে তার গ্লুকোসিনোলেট যৌগ। জল বা অ্যাসিডের সাথে মিশ্রণ বা আলোড়নের ফলে মাইরোসিনেজ নামে একটি উৎসেচক সক্রিয় হয়ে সিংগ্রিন থেকে গ্লুকোজ আলাদা করে দিয়ে ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট তৈরি করে।
সিংগ্রিন
ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট
সর্ষের তেলকে পাতন করলেও উচ্চতাপে মাইরোসিনেজ সক্রিয় হয়ে যায় ও অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট উবে যায়, পরে তাকে ঘনীভূত করে এই গন্ধ তেল (অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট) পাওয়া যায়। অ্যালাইল আইওডাইড ও পটাসিয়াম থায়োসায়ানেটের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারাও কৃত্রিম ভাবে এটি প্রস্তুত করা যায়। এটিকে কৃত্রিম সর্ষের তেল বলে। এটি খাবারে সর্ষের তেলের গন্ধ দেবার জন্যে ব্যবহার হয়।

সরিষার তেলের গুণাগুণ

সরিষার তেলের গুণাগুণ

 

ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সর্ষের ব্যবহার হয়ে আসছে। সর্ষের তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সর্ষের তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সর্ষের তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। সর্ষে তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। সর্ষের তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে। সর্ষের তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সর্ষের তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে।

Sunday, June 19, 2022

 সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

 সরিষার তেল বা সর্ষের তেল সর্ষের বীজ নিষ্পেষণ দ্বারা প্রস্তুত তেল। এই তেল রান্নার জন্যে, এবং গায়ে মাখা বা মালিশ করার কাজে ব্যবহার হয়। সর্ষের তেলের ঝাঁঝের জন্যে সর্ষের তেলের রান্নার আলাদা বিশেষত্ব আছে।


দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।

দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।

 আসুন সচেতন হই। বিদেশী তৈল সয়াবিন বাদ দিয়ে আবার আমদের নিজেদের চাষ করা শরিষার তৈল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হই। তাহলে আবার আমরা সেই সোনালী দিনে ফিরে যেতে পারবো। না হলে বিদেশীরা আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে। সেই স্লোগান আবার হবে দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।


পাচক খাঁটি সরিষার তেল

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

 শীঘ্রই শুভ উদ্ধোধন

পাচক খাঁটি সরিষার তেল
সম্পূর্ণ অত‍্যাধনিক প্রযুক্তিতে (ডাবল ফিল্টার ) মেশিনে উন্নতমানের দেশী মাঘী সরিষার থেকে উৎপাদন করা হবে পাচক খাঁটি সরিষার তেল। বিশুব্দ প্রতিটি ফোঁটা,
আস্হার শতভাগ গুনে ও মানে সেরা।
প্রস্ততকারক:
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
যোগাযোগ-01711003755

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

 শীঘ্রই শুভ উদ্ধোধন

পাচক খাঁটি সরিষার তেল
সম্পূর্ণ অত‍্যাধনিক প্রযুক্তিতে (ডাবল ফিল্টার ) মেশিনে উন্নতমানের দেশী মাঘী সরিষার থেকে উৎপাদন করা হবে পাচক খাঁটি সরিষার তেল। বিশুব্দ প্রতিটি ফোঁটা,
আস্হার শতভাগ গুনে ও মানে সেরা।
প্রস্ততকারক:
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
যোগাযোগ-01711003755

Pachok Mustard Oil

Pachok Mustard Oil

 আসুন সচেতন হই। বিদেশী তৈল সয়াবিন বাদ দিয়ে আবার আমদের নিজেদের চাষ করা শরিষার তৈল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হই। তাহলে আবার আমরা সেই সোনালী দিনে ফিরে যেতে পারবো। না হলে বিদেশীরা আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে। সেই স্লোগান আবার হবে দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।


সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক।

সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক।

 ধনধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা - সৃষ্টিকর্তার অপরিসীম আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের এই সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ। অনেক আয়ুর্বেদিক আর ভেষজ ঔষধের জন্মভূমি এই বাংলাদেশ। সরিষার কথা হয়তো আমরা অনেকেই জানি কিন্তু সরিষার তেলের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন না। এ তেল দিয়ে শুধু ত্বকই নয়- হৃৎপিন্ড-, পেশি, গাঁটের সমস্যা পর্যন্ত দূর করা যায়।

সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং সহজেই হজমকারক। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শ্বাসনালি এবং মূত্রনালি ও ব্রঙ্কাইটিস ইনফেকশন সারাতে সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ তেলে রোগের জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। এর উপাদান শরীর ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং ফুসফুস ও বৃহদান্ত্রের প্রয়োজনীয় জীবাণুকে কোনোরকম ক্ষতি না করেই কিডনির মাধ্যমে তা নিষ্কাশিত করে দেয়। এই তেল বৃহদান্ত্রের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও হজমে সহায়তা করে। তবে এ ক্ষেত্রে কি রকম তেল ব্যবহার করতে হবে- সেটা না জানলে ফলাফল খারাপ হতে পারে। লক্ষ্য রাখার বিষয় হলো, শরীরের জন্য নামি-দামি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল কিন্তু মোটেও উপকারী নয় কারন নামি-দামি ব্র্যান্ড গুলো হাইব্রীড সরিষা ব্যাবহার করে।
আসলে প্রয়োজন খাঁটি সরিষার তেল। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্র্যান্ডেড তেল নয়, দেশি সরিষা থেকে উৎপাদিত তৈরি করা তেল ব্যবহার করতে হবে।সরিষার তেল থেকে আরও কতগুলো উপকার মিলতে পারে। যেমন-
১. সরিষার তেল অ্যালার্জি ও র‌্যাশ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২. ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে প্রতি রাতে সম পরিমাণ সরিষার তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে মিনিট দশেক ধরে মাসাজ, তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ঘুমোতে গেলে ত্বক যেমন নরম থাকবে, তেমন উজ্জ্বলও হবে।
৩. ত্বকে কালসিটে পড়া স্বাভাবিক। এ অবস্থায় ডার্ক স্পট, ট্যান বা পিগমেন্টেশন ঠেকাতে বেসন, দই, লেবুর রসের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মুখে-ঘাড়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেললে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে।
৪. সরিষার তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স। ফলে এটি রিংকল বা দেহের নানান কালসিটে দাগ কমিয়ে দেয়।
৫. সানস্ক্রিনে মুখে খুব ঘাম হলে বা ত্বক নষ্ট হতে থাকলে অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিলে তা সূর্যের ক্ষতিকারক আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। তবে বেশি তেলে ধুলোবালি ধরে রাখে ত্বক। তাই খেয়াল রাখতে হবে পরিমাণের দিকে।
৬. সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই এ তেল অ্যালার্জি ও র‌্যাশের হানা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৭. ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল বিশেষ কাজে আসে।
রাজশ্রী খাঁটি সরিষার তেল আপনাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছে শতভাগ বিশুদ্ধতার ( আমাদের তেলে কোনপ্রকার রং বা অন্য তেল মিশ্রিত করা হয় না)। যেহেতু নিজেরা উৎপাদন করি এর উপর রয়েছে নিজেদের সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন।
 বিক্রয় মুল্যঃ
১লিটার ২৫০ টাকা
২ লিটার ৫০০ টাকা
৫ লিটার ১০০০ টাকা
 কুরিয়ার চার্জ প্রযোজ্য
অর্ডার করুনঃ
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
০১৭১১০০৩৭৫৫

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

পাচক খাঁটি সরিষার তেল খান 

সংসারের খরচ কমান 
বর্তমান সয়াবিন তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির লোকদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে সাশ্রয়ী। কারণ, যেখানে ১ লিটার সয়াবিন তেল লাগবে সেখানে ৫০০ মিলি: সরিষার তেল দিয়ে রান্না করা যাবে। কারণ, সরিষার তেল পরিমানে লাগে কম।
তাছারাও স্বাস্থ্যগত দিক থেকে সয়াবিন তেল থেকে সরিষার তেল অনেক উপকারী। এটা আপনার রান্নাকে করবে মজাদার ও অধিক সু-স্বাদু,,,ইনশাআল্লাহ। এবং সরিষার তেলের দাম সামনে আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের তেলে নিরাপদ রয়েছে।
নিরাপদ কেন বলছি জানেন?
 বাছাইকৃত হাই কোয়ালিটির দেশি সরিষা।
তেল ভাঙানোর সময় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ।
ফ্রেশ দানার ১০০% ফুডগ্রেড ও পরিস্কার বোতলে তেল পরিবেশন।
 তেলে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। তাই প্রাকৃতিক ঝাঁজের পর এক্সট্রা কোন ঝাঁজ অনুভব করবেন না।
 আমাদের তেলে রান্নার পর তরকারি তিতা লাগবে না।
 রান্নার পর তরকারি রং কালো হবে না
 পরিমানে অনেক কম লাগে।
আমাদের তেল দেশি মাঘি সরিষা ১০০% দেশি সরিষা থেকে প্রস্তুত সম্পুর্ন কেমিক্যাল মুক্ত খাঁটি সরিষার তেল। যা গ্যাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে বাচার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কোল্ড প্রেসড ডাবল ফিল্টার মেশিনে উৎপাদন করা হয়।।